সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী কলোনিতে মাদকবিরোধী অভিযানে রহস্য জনক কারণে ধরা পড়ছে না তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে যারা কাজ করে থাকে মূলত তারাই মাদক ব্যবসায় জড়িত। ফলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় মাদকের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে।সোর্সনামধারী মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিরীহ লোকদের গ্রেফতার করিয়ে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করে।
নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, বিহারী কলোনিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে কয়েকটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেট আদমজী ও আশপাশ এলাকায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক বেচাকেনা করছে। এসব মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল ও গাঁজা। এ সিন্ডিকেটের অনেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার মাদকসহ আটক হয়ে কিছুদিন কারাবাস করে জামিনে বেরিয়ে আবার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিহারী কলোনির মাদক সিন্ডিকেটের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যুবলীগ ক্যাডার পানি আক্তারের অন্যতম সহযোগী শীর্ষ ডিলার বাবলা-মিঠুন ও নতুন বাজারের শীর্ষ ডিলার নাহিদ গ্রুপ। মাদক সম্রাট মিঠুন ও তার সহযোগী সেলসম্যান পাঠান পিচ্চি, রাজ, আরমান, শুক্কুর, হীরা, সুজনের নাম নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে। অভিযানে খুচরা মাদক বিক্রেতারা গ্রেপ্তার হলেও ওইসব শীর্ষ ডিলাররা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফলে কলোনির মাদক ব্যবসা কিছুতেই বন্ধ হচ্ছেনা।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর। বিহারী ক্যাম্প থেকে অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধী যে-ই হোক, কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




