ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লা চাঁদনী হাউজিংয়ে বিগত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের ১৭ বছর একছত্র আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে বিশাল বিত্তশালী বনে যাওয়া আবদুল হামিদ ওরফে পাগলা হামিদ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলায় জেল থেকে জামিন দেশের বাহিরে অবস্থান তার সন্ত্রাসী বাহিনী এখনো সক্রিয় ।
২০০৯ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর নারায়ণগঞ্জ- ৪ আসনে তৎকালীন সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরীর সাথে সখ্যতা গড়ে ফতুল্লা চাঁদনী হাউজিংয়ে সন্ত্রাসী রাম রাজত্ব কায়েম করে একক ভাবে নিয়ন্ত্রন করে এক সময়ের ড্রাইভার হরিহরপাড়া গোলশান এলাকার মৃত আবদুল গফুরের ছেলে আবদুল হামিদ ওরফে পাগলা হামিদ। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনে শামীম ওসমান সংসদ সদস্য হলে সুচতুর পাগলা হামিদ ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফ উল্লাহ বাদলের সান্নিধ্যে গিয়ে তার অপকর্ম অব্যাহত রাখে, একটা সময় প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমান নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসের জনপথ কায়েম করে লাইম লাইটে চলে আসলে তার সান্নিধ্যে গ্রহন করে পাগল হামিদ চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে পাগলা হামিদ ।
চাঁদনী হাউজিংয়ে জমি ক্রয়- বিক্রয়, নতুন বাড়ি নির্মানে চাঁদা আদায়, সরকারী খাস জমি দখল করে দোকান নির্মান করে ভাড়া আদায়, অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ আদায় সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয় পাগলা হামিদ ও তার বাহিনী। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্যতম চাঁদনী হাউজিংয়ের মৃত আঃ রশিদের ছেলে মোঃ সেলিম, মৃত গফুর বাবুর্চির ছেলে মোঃ আলী, শাহজাহানের ছেলে আরিফ, শহিদ মিয়ার ছেলে সেতু, আঃ সাত্তারের ছেলে ইসমাইল, মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে সিপন সহ শতাধিক সন্ত্রাসী রয়েছে।
বর্তমানে পাগলা হামিদ দেশের বাহিরে পালিয়ে থাকলেও এসব সন্ত্রাসীরা এখন বহাল তবিয়তে চাঁদনী হাউজিংয়ে চালিয়ে যাচ্ছে অপকর্ম। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামীলীগের প্রতিতা কর্মসূচিতে এদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ রয়েছে বলেও জানা যায়,
গত ৯ আগস্ট সোমবার পাগলা হামিদের অন্যতম সহযোগী চাদঁনী হাউজিং এলাকায় গ্যাসচোর খ্যাত মোক্তার ফতুল্লা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও বাকিরা সন্ত্রাসী রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। তাই চাঁদনী হাউজিংয়ের বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে প্রশাসনের নিকট আবেদন পাগলা হামিদ বাহিনীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।




