নারায়ণগঞ্জ শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
  সর্বশেষঃ
শাহজালালে আরেক ‘বালিশ-কাণ্ড’ : লুটের মহোৎসব থার্ড টার্মিনালে
পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
একসময় ‘জয় বাংলা’ এখন বিএনপির ত্যাগী কর্মী!
ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়, ফতুল্লায় নারী গ্রেফতার
বকশীগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ  টাকার কারেন্ট ও চায়না রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
সিদ্ধিরগঞ্জে বাস থামিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি, গ্রেফতার ৪
গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, ঘাতক গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে তিতাস এর অভিযানে চুনা ও ঢালাই কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন  
আমতলীতে তিন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার
জামায়াত থেকে বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল ইসলামের এমপি পদ কি থাকবে?
লক্ষীনারায়ণ কটন মিলের খালি জমি ভরাটকে কেন্দ্র করে হামলা, নারীসহ আহত ৩
ফতুল্লার শীষ মহল মন্দিরে বিপদত্তারিনী পূজা পরিদর্শনে জেলা সনাতন পার্টি
ফতুল্লায় দেড় হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ওয়ালিউর রহমান আপেলকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্র দলের সাবেক নেতৃবৃন্দের ফুলের শুভেচ্ছা 
ফতুল্লায় ‘চুরির অভিযোগে’ রঙ মিস্ত্রিকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
তৌকিরের উপর হামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামী গ্রেফতারে পুলিশের ব্যর্থতা!
ফতুল্লায় ভোররাতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুর্বৃত্তের আগুন
রাজনীতি এখন ৩ শ্রেণীর লোকের কাছে জিম্মি – আহমেদ আলী 
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধের প্রস্তাবে ইসির ‘না’
বন্দরে ৯৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই দম্পতি গ্রেপ্তার
ফতুল্লায় আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮
কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বন্দর থানা শাখার সভাপতি হলেন মোঃ আনোয়ার হোসেন
গোল্ডেন বুট জিততে হলে মেসিকে কী করতে হবে?
সিদ্ধিরগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
শেরপুরে আগুনে পুড়ল প্রাইভেটকারসহ চার প্রতিষ্ঠান
সড়কে নাসিকের নামে ‘নীরব চাঁদাবাজি’, জিম্মি পরিবহন চালকরা
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকসহ ৬ জন গ্রেপ্তার
আড়াইহাজারে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, দাবি হত্যা
Next
Prev
প্রচ্ছদ
বিশাল ঘাটতি মেটাতে ঋণে অর্থমন্ত্রীর বাজি!

বিশাল ঘাটতি মেটাতে ঋণে অর্থমন্ত্রীর বাজি!

প্রকাশিতঃ
Facebook
WhatsApp
Twitter

খোদ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মনে করেন দেশের অর্থনীতি কঠিন সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেই বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে টেনে তুলতে বিশাল আকারের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।

এই বাজেটে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা সত্ত্বেও ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বিপুল অঙ্কের ঘাটতি থাকছে। এই ঘাটতি পূরণে সরকারকে সারা বছর দেশিবিদেশি খাত থেকে ঋণ নিতে হবে। যদিও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। একই সঙ্গে দেশের ব্যাংক খাত বিপর্যস্ত।

খেলাপি ঋণের চাপে ব্যাংকগুলোতে মূলধন ও নগদ অর্থের সংকট প্রকটতর হয়েছে। তবুও এই বিশাল আকারের বাজেট ঘাটতি মেটাতে হবে এসব উৎস থেকে ঋণ নিয়ে, যা এক ধরনের বাজি ধরার মতোই মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনেক বলেন, বাজেট ঘাটতি কোনো সমস্যা নয়, যদি তা উৎপাদনশীল বিনিয়োগে ব্যবহƒত হয়। কিন্তু রাজস্ব আহরণ দুর্বল থাকলে এবং ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে ঋণ-পরিশোধের চাপ অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবায়ন সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে তা অর্জন কঠিন হবে।

সূত্র জানায়, একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ এবং ধীরগতির বেসরকারি বিনিয়োগ; অন্যদিকে প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নের প্রয়োজন। এমন প্রেক্ষাপটে সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা ব্যয়ের পরিমাণ নয়, সেই বাজেটের ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা।

এদিকে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে সরকার বিশাল এ বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে।

আর সেই ঘাটতি পূরণে মূলত দুটি প্রধান উৎসের ওপর নির্ভর করছে। এর মধ্যে বৈদেশিক উৎস (ঋণ ও অনুদান) থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস (ব্যাংক ও অন্যান্য খাত) থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে বাজেট ঘাটতি সাধারণত সহনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। সে হিসেবে বাংলাদেশের ঘাটতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ঘাটতি পূরণে সরকারের ঋণনির্ভরতা ক্রমশ বাড়ছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঘাটতি বাজেট নিজে কোনো সমস্যা নয়। বরং উন্নয়নশীল দেশগুলো প্রায়ই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ঘাটতি বাজেট দেয়। প্রশ্ন হলো, সেই ঋণের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তা থেকে কতটা অর্থনৈতিক রিটার্ন পাওয়া যাবে।

ঋণ কি প্রবৃদ্ধির হাতিয়ারঅর্থনীতির পাঠ্যবই বলছে, রাষ্ট্র যখন ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, বন্দর, সড়ক, রেলপথ, শিল্প অবকাঠামো কিংবা দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিনিয়োগ করে, তখন সেটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ায়। দেশের ইতিহাসও সেই কথাই বলে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল কিংবা বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধির সুফল পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘ডেট ক্যারিং ক্যাপাসিটি’ বা ঋণ ধারণক্ষমতা। ঋণ নেওয়া কোনো সমস্যা নয়; সমস্যা তখনই শুরু হয় যখন সেই ঋণের অর্থ অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয় কিংবা দুর্নীতির কারণে অপচয় হয়। তখন ঋণ উন্নয়নের ইঞ্জিন না হয়ে অর্থনীতির জন্য পরিণত হয় ফাঁদে।

ব্যাংক খাতের ওপর বাড়তি চাপঘাটতি অর্থায়নের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। এর মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা আসবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি এখানেই। বর্তমানে ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট এবং উচ্চ সুদহারের চাপে রয়েছে। এই অবস্থায় সরকার যদি বড় অঙ্কের ঋণ নেয়, তাহলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা কমে যেতে পারে। অর্থনীতির ভাষায় একে বলা হয় ‘ক্রাউডিং আউট’ প্রভাব। সরকার ও বেসরকারি খাত একই ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করলে শিল্প উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া কঠিন হতে পারে। ফলে নতুন বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে, শেয়ারবাজার থেকে শিল্প ঋণ নিলে কিছুটা সুফল মিলবে।

বৈদেশিক ঋণের আরেক বাস্তবতা : ঘাটতি অর্থায়নের দ্বিতীয় বড় উৎস বৈদেশিক ঋণ। প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা রয়েছে। সরকার আগামী অর্থবছরে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নিলেও এর মধ্যে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে পুরোনো ঋণের কিস্তি ও আসল পরিশোধে। অর্থাৎ নতুন ঋণের একটি বড় অংশ উন্নয়ন ব্যয়ে নয়, বরং পুরোনো দায় শোধে চলে যাবে। আর সংশ্লিষ্টদের মতে এটিই দেশের ঋণচক্রের নতুন বাস্তবতা। কয়েক বছর আগেও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ তুলনামূলক কম ছিল। এখন বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের সময় শুরু হওয়ায় সেই চাপ দ্রুত বাড়ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোঃ শহীদুল্লাহ রাসেল

প্রধান নির্বাহীঃ

মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন

সতর্কীকরণঃ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
সকল স্বত্ব
www.jagonarayanganj24.com
কর্তৃক সংরক্ষিত
Copyright © 2024

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ

বনানী সিনেমা হল মার্কেট
পঞ্চবটী ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
ফোন নম্বরঃ ০১৯২১৩৮৮৭৯১, ০১৯৭৬৫৪১৩১৮
ইমেইলঃ jagonarayanganj24@gmail.com

Website Design & Developed By
MD Fahim Haque
<Power Coder/>
www.mdfahim.com
Web Solution – Since 2009

error: Content is protected !!