প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগ এনে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত এক ব্যাক্তিকে আটক করে পরে গভীর রাতে থানার টয়লেটের ভেতরে পরিবারের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আব্দুল হামিদ খান জানান,বিষয়টি সম্পূর্ন উদ্দেশ্যে প্রনীত এবং মিথ্যা ও বানোয়াট।
ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আব্দুল হামিদ খান জানান, বিগত সময়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিল এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কাশিপুর এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে নাজমুল হক ডালিম চৌধুরীকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলে তার পরিবারের লোকজন থানায় আসেন এবং তিনি কখনও আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলনা বলে জানান। পরবর্তীতে ওসি স্যারের সাথে কথা বলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু তার পরিবারের সাথে আসা কয়েকজন বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে থানা পুলিশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতেই আড়াইলাখ টাকা নেয়া হয়েছে এবং পরে তার ফেরত দেয়া হয়েছে বলে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ায়।
তিনি আরও বলেন,বর্তমানে দেশে আওয়ামীলীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাদের নির্দেশে ফতুল্লা থানা এলাকাসহ পুরো জেলার কোথাও না কোথাও আওয়ামীলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করছে দলের কিছু কর্মীরা। ৫ আগষ্ট পরবর্তী বৈষম্যবিরোধী মামলায় ফতুল্লা মডেল থানায় প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। দেশের শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে পুনরায় সেই বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামীদের গ্রেফতারের নির্দেশনা রয়েছে প্রতিটি থানা পুলিশ সদস্যদের। আটক ডালিমকে সেই সুবাদেই গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছিল এবং তার পিসিপিআর চেক করে কিছু না পাওয়াতে তাকে সম্মানজনকভাবে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
তিনি সমাজের দর্পন সাংবাদিক ভাইদেরকে অনুরোধ করে বলেন, একটি বিষয়ে পুরোপুরি অবগত হয়ে সংবাদ প্রকাশ করাটা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক। আশা করি সাংবাদিক ভাইয়েরা বিস্তারিত জেনেই বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করবেন।




