ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টে তিনি চাঁদাবাজি, ঝুঁট ব্যবসা, মাদক, সন্ত্রাস ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে বিএনপি ও ছাত্রদলের কিছু নেতার সমালোচনা করেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন দাবি করেন, “চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বললেই বিএনপি ও ছাত্রদলের কিছু নেতার প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জে বাস ও টেম্পুস্ট্যান্ড, ঝুঁট ব্যবসা এবং বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সবাই অবগত। পোস্টে তিনি রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের মামলায় তিনি গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।
এছাড়া ঝুঁট ব্যবসার দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের দলে স্থান দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে অতীতে ১৭টি রাজনৈতিক মামলা, গ্রেপ্তার, রিমান্ড ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে তিনি ভবিষ্যতেও পিছপা হবেন না।”
এদিকে এমপির ওই পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার লিখেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এ ধরনের দায়িত্বহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়। তার দাবি, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে ঈর্ষান্বিত হয়ে রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে বারবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।
রুহুল আমিন সিকদার আরও লিখেন, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এবং ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বের মাধ্যমে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে একাধিকবার কারাবরণ করেছেন এবং গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের জামিন ও সহযোগিতায় ব্যক্তিগতভাবে ভূমিকা রেখেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি লিখেন, এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন যদি সত্যিই দায়িত্বশীল হতেন, তাহলে এমন একজন ব্যক্তিকে নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করার আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করতেন।”




