ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় জহিরুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী সাবিকুন্নাহার মীমকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সানারপাড় এলাকার শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতের বড় বোন মোছা. শাহনাজ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
আহত জহিরুল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার মো. জামশেদ মোল্লার ছেলে। অন্যদিকে স্ত্রী সাবিকুন্নাহার একই থানার মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী যুবক ও তার স্ত্রী সানারপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন। বুধবার রাতে জহিরুল ইসলাম বাসায় ফিরে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ইচ্ছা ও অনিচ্ছা নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী রাগান্বিত হয়ে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে দেন।
এ সময় যুবকের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহার জানান, তার স্বামী জহিরুল ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মৌখিকভাবে তাকে তালাক দেন। তালাকের পরও নিয়মিত তার বাসায় যাতায়াত করতেন। এর মধ্যে গত তিন মাস আগে জহিরুল আরেকটি বিয়ে করেন। তার পরও তিনি বিষয়টি মেনে নেন।
তিনি আরো জানান, ভরণপোষণ না দিয়ে উল্টো তিনি (সাবিকুন্নাহার) বেতন পেলেই বাসায় চলে আসতেন। প্রায়ই জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন। ঘটনার দিনও তিনি জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইলে এ ঘটনা ঘটান বলে জানান সাবিকুন্নাহার।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘ঘটনার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা স্ত্রীকে আটক করেছি। ভুক্তভোগীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বোন বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’




